Top Newsখড়গপুরে শুভেন্দুর কন্যা সুরক্ষা যাত্রায় বেশিরভাগ নেতা-কর্মী থাকলেন অনুপস্থিত খড়গপুরে শুভেন্দুর কন্যা সুরক্ষা যাত্রায় বেশিরভাগ নেতা-কর্মী থাকলেন অনুপস্থিত
SBN Digital: ভিড় হল। কিন্তু দিলীপ ঘোষের গড় বলেই পরিচিত খড়গপুরের বিজেপির বেশিরভাগ নেতা ও কর্মীরা থাকলেন অনুপস্থিত। এমনকী, দেখা যায়নি বিজেপির মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সমিত মণ্ডলকে। আর এই পরিস্থিতিতে খড়গপুরে মঙ্গলবার বিকেলে এসে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলে গেলেন, প্রতীক একটিই। সেটি হল পদ্ম। আর নেতা একজন। তিনি হলেন নরেন্দ্র মোদি। মাঝখানে আর কোনও নেতা নেই। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্য করেই শুভেন্দুর এই খোঁচা।
এদিন কন্যা সুরক্ষা যাত্রায় যোগ দেওয়ার জন্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী খড়গপুরে এসেছিলেন। বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের ডাকে সেই যাত্রা হয়েছে শহরের প্রেমহরি ভবন থেকে মালঞ্চ সেনচক পর্যন্ত। তার আগে শহরের মালঞ্চ রোডের ধারে ওই ভবনের মাঠে সভা হয়। সেখানেই শুভেন্দু ওই মন্তব্য করেন। তবে সভায় দেখা যায়নি বিজেপির জেলা সভাপতি-সহ খড়গপুর পুরসভার মোট ছয়জন বিজেপির কাউন্সিলরের মধ্যে দু’জন দলীয় কাউন্সিলরকে। এমনকী, দু’টি মন্ডল কমিটির সভাপতিদেরও দেখা যায়নি।
তবে একদা দিলীপ ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তিন কাউন্সিলরকে এদিনের কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি বিজেপির খড়গপুর শহর উত্তর মন্ডল সভাপতি টিল্ক সিংকে দেখা গিয়েছে। ফলে শুভেন্দুর এই কর্মসূচি ঘিরে আরও একবার প্রকাশ্যে এল বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এদিকে, এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত না থাকার ব্যাপারে বিজেপির মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সমিত মণ্ডল বললেন, “আমার এই কর্মসূচি সম্পর্কে কিছু জানা নেই। আমাকে কিছু বলা হয়নি।” যদিও সভা ও কন্যা সুরক্ষা যাত্রা কর্মসূচির উদ্যোক্তা বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সবাইকে জানানো হয়েছে। ফেসবুক থেকে শুরু করে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অবগত করা হয়েছে।” ফলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রভাব এদিন কর্মসূচিতেও পড়েছিল। খড়গপুর শহরের বেশিরভাগ নেতা ও কর্মীরা অনুপস্থিত ছিলেন এদিন। অভিযোগ, শহরের বাইরে থেকে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে এসে ভিড় জমানো হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট, দলের নেতা রমাপ্রসাদ গিরি, অমূল্য মাইতি, সোনালী মুর্মু, অভিজিৎ রায়, শঙ্কর গুছাইত প্রমুখ।