Top Newsদলের নেতাদেরই দেখে নেওয়ার হুমকি, ফের বিতর্কে হুমায়ুন

দলের নেতাদেরই দেখে নেওয়ার হুমকি, ফের বিতর্কে হুমায়ুন

SBN Digital: বিতর্ক যেন কিছুতেই কিছু ছাড়তে চাই না হুমায়ুনের। এবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভার মঞ্চ থেকেই নাম না করে আকারে ও ইঙ্গিতে দলের জেলা সভাপতি, যুব সভাপতি ও ব্লক সভাপতিকে এক হাতে নিযলেন হুমায়ুন কবীর। পাশাপাশি তাঁর ১৫ আগস্টের পর দেখে নেওয়ার হুমকিও দিলেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে ভরতপুর বিধানসভার সালারে এক সভায় উপস্থিত হয়ে জেলার তৃণমূল নেতৃত্ব, যুব নেতৃত্ব ও ভরতপুরের ব্লক স্তরের নেতৃত্বকে ‘ভুঁউফোড়’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। যদিও হুমায়ুন কবীরের বিতর্কিত মন্তব্যের পাল্টা কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার। হুমায়ুন বলেন, “জেলার নেতারা সকলকে নিয়ে একুশের প্রস্তুতি সভা করলেও আমাকে না ডেকে আমার এলাকার দুজন ব্লক সভাপতিকে নিয়ে আমাকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছেন। মমমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২১ সালে যখন আমাকে বিধানসভার টিকিট দিয়েছিল তখন থেকেই কান্দির কিছু নেতা জেলার নেতারা ভরতপুরের তৃণমূল নেতাদের পরামর্শ দিয়ে আমার পিছনে লাগিয়ে দিয়েছিল আমি যাতে ভোটে জিততে না পারি।।” তিনি আরও বলেন, “১৫ আগস্ট পর্যন্ত সময় দিলাম। এর মধ্যে সংযত না হলে আমিও দেখব। জেলা সভাপতি কান্দি থেকে ভরতপুরের তৃণমূল আমার নেতাদের নিয়ে বিরুদ্ধে খেলছেন। আমিও খেলায় নামব।” তাঁর কথায় রীতিমতো হুমকির সুর শোনা যায়। তিনি বলেন,” আমি যখন লড়াই করব ম্যাও ম্যাও করা বন্ধুরা পার পাবেন না। কোথায় গর্ত আছে খুঁজবে। আমরা দেখছি সাঁইথিয়ার খুনের ঘটনা, ভাঙরের তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনা। তৃণমূল তৃণমূলকে মারছে, খুন করছে। আপনারা যত বেশি বিরোধিতা করুন দেখবেন যেন মাত্রা না ছাড়ায়। শেষ পরিণতি যেন সাঁইথিয়া বা ভাঙড়ের মতো না হয়।” হুমায়ুনের এহেন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জেলার তৃণমূল সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, “হুমায়ূন কবীরকে এর আগেও বহুবার দলের তরফে সংযত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। উনি কোথায় যে কী বলেন সেটাই বোঝা মুশকিল। এ ব্যাপারে রাজ্য নেতৃত্ব পুরো বিষয়টিতে অবগত। তাঁরা যেরকম নির্দেশ দেবেন তেমনই পদক্ষেপ করা হবে।”