Top Newsআমাদের পাড়া, আমাদের সমাধানে গিয়ে ক্ষোভের মুখে ডেবরার বিধায়ক

আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধানে গিয়ে ক্ষোভের মুখে ডেবরার বিধায়ক

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ অনেক করেছেন, পাড়ার সভা হবে তখন, আগে সভায় আসার জন্য বেহাল রাস্তা মেরামত করুন। তারপর আপনি সভায় আসবেন। ডেবরার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ূন কবীর কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। শ্লোগান ওঠে বিধায়ক এতদিন কোথায় ছিলেন, সেই টাকা আসবে গন্ধ পেয়েছে তখনি হাজির হয়ে গেছেন। আজ ১৪ বছর কোথায় ছিলেন। বেহাল রাস্তা, পানীয় জল সহ নিকাশীর অভাবে গ্রীষ্ম বর্ষায় নাজেহাল গ্রামের মানুষ। আজ হাতের কাছে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, সভা করতে হলে বিধায়ককে থাকা যাবে না। আমরা গ্রামের মানুষ বিডিও দপ্তরের লোকজন দের সাথে সভা করবো। এমন ঘটনা ডেবরা ব্লকের ভবানীপুর মৌজায়।
আমার পাড়া আমার সমাধান প্রকল্পের সভা ছিলো আজ শনিবার। গতকাল শুক্রবার বিডিও  দপ্তর থেকে নোটীশ পাঠানো হয়েছিলো। এর আগেও এই মৌজার ২ টি বুথ নিয়ে দূয়ারে সরকার ক্যাম্প বসেছিলো দুই বার। মানুষ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে তাদের সমস্যার বিষয় গুলি লিখিত জমা দিয়ে ছিলো। তার একটাও সমাধান আজ অবধি হয়নি। সেই ক্ষোভ যেন আজ কড়ায় গোন্ডায় বুঝে নিতে গ্রামের মানুষ বিধায়ককে ঘিরে রেখে সভার আগে কৈফিয়ত চাইলেন। কোনো উত্তর না দিতে পেরে এবারে কাজ হবে বলে সামাল দিওয়ার চেষ্টা করলেও, বিধায়ক থাকা কালিন সভা শুরুই করতে পারেনি প্রসাশন। গ্রামের মানুষের একটাই কথা, যেদিন বেহাল রাস্তা মেরামত হবে সেদিন উনি গ্রামে  আসতে পারেন। তার আগে নয়।
গ্রামের মানুষ সুজয় দাস, স্বপন জানা প্রমুখ বলেন, এটা উনার প্রাপ্য ছিলো। আজ দীর্ঘ ১০-১২ বছর ধরে বেহাল রাস্তা মেরামত করার জন্য বারে বারে জানিয়েও উপেক্ষিত গ্রাম। দেড় হাজার অধিক মানুষের বাস। গ্রাম থেকে সড়ক রাস্তা চকরাজপুর প্রায় ২ কিমি। আবার চকরাজপুর সড়কের ওধারে  আকাল পৌষ হাইস্কুল আরো দেড় কিমি। পুরো রাস্তাটাই নরক কুন্ডুে পরিনত। সরকারের দেওয়া সাইকেল ঘরে পড়ে থাকে। পড়ুয়ারা এমন জল কাদার মধ্যে প্রতিদিন স্কুল যায়।