নিজস্ব প্রতিবেদক: গোটা জেলাজুড়ে ১২৯ জন বন্যা কবলিত মানুষ সাপের ছোবলে জখম হয়েছেন। তাঁদের সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। কেউ মারা যায়নি বলে জেলা প্রশাসনের দাবি। সবচেয়ে বেশি সাপের ছোবলে জখম ব্যক্তিরা মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতলে ভর্তি রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
এখানে ভর্তি রয়েছেন ৬৭ জন। ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতলে ভর্তি রয়েছেন ১৯ জন ও খড়গপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৩ জন। বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে প্রতিটি বন্যায় সাপের ছোবলে মৃত্যু অনিবার্য বলে ধরে নেওয়া হত। কিন্তু এ বছর বন্যার প্রস্তুতির অনেক আগে থেকে হাসপাতালগুলি ও ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সাপের চিকিৎসার এভিএস ইঞ্জেকশন মজুত রাখার উপর জোর দিয়েছিলেন জেলাশাসক খুরশিদ আলী কাদরী। তাঁর নির্দেশ ছিল সাপের ছোবলে জখমদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। জানা গিয়েছে, সাপের ছোবলের চিকিৎসার জন্য ডায়ালিসিস অনিবার্য।
বন্যার কয়েকদিন আগেই ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আসে ডায়ালিসিস মেশিন। ফলে সব সাপে কাটা রোগীর সুচিকিৎসা হয়েছে বলে দাবি করেন ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস। তিনি বলেন, “সাপে কাটা নিয়ে গ্রামের মানুষের সচেতনতা অনেক বেড়েছে। সাপের ছোবলে জখম কেউই ওঝার কাছে যায়নি। সাপে কামড়ানোর পর সবাই হাসপাতালমুখী হয়েছেন। ফলে সময়ের মধ্যেই চিকিৎসা শুরু হওয়ায় বিপদ থেকে মুক্ত হয়েছেন সবাই।”