SBN Digital: দেশে রেলের ৩২ জন ডিআরএমকে বদলি করা হল। তারমধ্যে খড়গপুরের ডিআরএম কে আর চৌধুরী রয়েছেন। আর খড়গপুরের এই ডিআরএমের বদলির খবরে খুশির হাওয়া রেলশহর খড়গপুরের রেলের বস্তি এলাকাগুলি-সহ শাসকদলের মধ্যে। পাশাপাশি দাবি উঠেছে, এবারে রেলের খড়গপুর ডিভিশনের এডিআরএম (অপারেশন) মণীষা গোয়েলকে অপসারণ করা হোক। খড়গপুরের শাসকদলের নেতাদের দাবি এই ডিআরএমের অঙ্গুলিহেলনে রেলের খড়গপুর ডিভিশন কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল। বস্তি উচ্ছেদের চেষ্টা থেকে শুরু করে জোর করে রাস্তা ঘিরে নিয়ে সাধারন মানুষের যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া সহ আরও বেশ কিছু জন স্বার্থ বিরোধী কাজ হয়েছিল। গত ১১ জুন রেলশহর খড়গপুরের সাউথ সাইড এলাকায় ডিআরএমের বাসভবন পর্যন্ত ঘেরাও করে তাঁর অপসারণের দাবি তোলা হয়েছিল। সবমিলিয়ে বিদায়ী ডিআরএম কে আর চৌধুরী বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। যদিও রেলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে ডিআরএমের বদলি একেবারে রুটিন ব্যাপার। কিন্তু তৃণমূলের মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর দেবাশিস চৌধুরী বলেন, “আমাদের লাগাতার আন্দোলন এই ডিআরএমের বদলিকে তরান্বিত করেছে। আমরা তাঁর বাসভবন ঘেরাওয়ের দিন বলেছিলাম তাঁকে সরতেই হবে। অপসারণ করতে হবে। আর সেটাই দেড় মাসের মধ্যে বাস্তবায়িত হল। আমরা খুশি।” খড়গপুর পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর রোহন দাস বলেন, “এতে আর বলার কি আছে।
রুটিন মেনে ডিআরএমকে বদলি করা হয়েছে। এখন আমরা দাবি করছি এডিআরএম (অপারেশন) মণীষা গোয়েলকে অপসারণ করা হোক।” আর খড়গপুরের পুরপ্রধান কল্যাণী ঘোষ বলেন, “ভালো হয়েছে এই ডিআরএম বিদায় হয়েছে। এনার আমলে খড়গপুরের উন্নতি তো সেরকম কিছুই হয়নি। বরং উনি বারবার ঝামেলা পাকিয়েছেন। তবে এটা রুটিন বদলি হলেও খড়গপুরের বস্তি এলাকার বাসিন্দারা কিছুটা হলেও নিশ্চিন্ত মনে রাতে ঘুমাতে পারবেন।”
KGP: খড়গপুর ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার বদলি
